October 25, 2026, 1:42 pm

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যান চলাচলের ওপর একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। তবে গণপরিবহন, বিশেষ করে সিটি, লোকাল ও দূরপাল্লার বাস চলাচল নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় ভোটার ও যাত্রীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্প্রতি জারি করা প্রজ্ঞাপনে ভোটের দিন যান চলাচলে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও নগর ও আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা না থাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ৩২ ধারার আওতায় ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজন ও নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজে এই বিধিনিষেধের ক্ষেত্রে কিছু শিথিলতা রাখা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে। একইভাবে বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীদের পাসপোর্ট ও টিকিটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখাতে পারলে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না।

যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না করতে সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এসব নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও স্বাস্থ্য-চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট পরিবহন এবং সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন চলাচলের সুযোগ পাবে।

এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন কিংবা মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি থাকবে।

নির্বাচন পরিচালনার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবা সচল রাখতে বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনকেও জরুরি সেবার আওতায় চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com